
বিজ্ঞপ্তিতে ডিএনসি আরও জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, চক্রটি ভারতের নিম্ন আয়ের মানুষদের ভিসামুক্ত ভ্রমণের সুবিধা কাজে লাগিয়ে কলকাতা থেকে ব্যাংককে নিয়ে যায়। এরপর ভারতীয় শাড়ির মতো পণ্যের আড়ালে তাঁদের মাধ্যমে বাংলাদেশে মাদক পাচার করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে। চক্রটি বাংলাদেশে কুশের বাজার তৈরির চেষ্টাও করছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
ডিএনসির ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে দুই থেকে তিন দিন অবস্থান করে মাদকের একটি অংশ হস্তান্তরের পর বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে ফেরার পরিকল্পনা ছিল অভিজিৎ দাসের।