
কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, খাইবার পাখতুনখাওয়ার গভর্নর ফয়সাল করিম কুন্ডি এখন প্রাদেশিক সরকারের দায়িত্ব পালন করবেন। কুন্ডি পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) নেতা। দলটি শাহবাজ শরিফের কেন্দ্রীয় সরকারের মিত্র।
প্রাদেশিক পরিষদের ক্ষমতাও এখন পাকিস্তানের পার্লামেন্টের হাতে যাবে। পার্লামেন্টে শাহবাজের পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন), পিপিপি ও তাদের মিত্ররা সংখ্যাগরিষ্ঠ। অন্যদিকে খাইবার পাখতুনখাওয়ার প্রাদেশিক পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠ পিটিআই।
সরকারি ঘোষণায় বলা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী, মন্ত্রী, উপদেষ্টা, বিশেষ সহকারী ও অ্যাডভোকেট জেনারেল অবিলম্বে পদে থেকে সরে দাঁড়াবেন।
তবে লাহোরের আইনজীবী ও লাহোর ইউনিভার্সিটি অব ম্যানেজমেন্ট সায়েন্সেসের (লামস) খণ্ডকালীন শিক্ষক হাসান আবদুল্লাহ নিয়াজি বিষয়টির ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি আল–জাজিরাকে বলেন, এর অর্থ এই নয় যে খাইবার পাখতুনখাওয়ার প্রাদেশিক পরিষদ বা নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রীকে স্থায়ীভাবে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আবদুল্লাহ নিয়াজির ভাষায়, ‘বরং ধরে নেওয়া যায়, জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা কার্যত নিষ্ক্রিয় থাকবেন। জরুরি অবস্থা উঠে গেলে তাঁদের আবার দায়িত্বে ফিরিয়ে আনতে হবে।’
গভর্নর কুন্ডিকে সহায়তা করবে ১১ সদস্যের একটি উপদেষ্টা পরিষদ। প্রদেশটিতে সেনাবাহিনী আগে থেকে মোতায়েন রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী গভর্নর ও তাঁর দলকে সহায়তা করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।