
আকাশবাণী ভবনের ফটকের অভ্যন্তর থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের নাম করে রাহুল বলেন, ‘ভোট চুরি করে তাঁরা ক্ষমতা ধরে রেখেছেন। জ্ঞানেশ কুমার তাঁদের ওই কাজে মদদ দিয়েছেন। তাঁদের কেউ ছাড়া পাবেন না। প্রত্যেকের বিচার হবে।’
রাহুল বলেন, ‘আমরা গণতন্ত্র বাঁচাতে চাইছি। মোদি, শাহ, ভাগবত, জ্ঞানেশরা গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দিচ্ছেন। ওঁরা যা করছেন, তা দেশের গণতন্ত্রপ্রিয় মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা। ওঁদের কেউ পার পাবেন না।’
আজ মঙ্গলবার সকালেই বিরোধী সংসদ সদস্যেরা একে একে জড়ো হন সংসদ ভবনে। যদিও ‘ইন্ডিয়া’ জোটের এই অভিযানে ডিএমকে ও আম আদমি পার্টির (এএপি) সদস্যরা যোগ দেননি। বেলা ঠিক ১১টায় মল্লিকার্জুন খাড়গে, সোনিয়া গান্ধী, চিদম্বরম, রাহুল ও প্রিয়াঙ্কাসহ কংগ্রেস নেতাদের পাশাপাশি অখিলেশ যাদব, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌগত রায়, মহুয়া মৈত্র, ডেরেক ও’ব্রায়ান, মনোজ ঝা, সুপ্রিয়া সুলেরা স্লোগান দিতে দিতে ধীরে ধীরে এগোতে থাকেন নির্বাচন সদনের দিকে।