
মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, ‘বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরের লক্ষ্য কেবল একটি স্লোগান নয়। এটি বাংলাদেশকে প্রযুক্তিনির্ভর, উদ্ভাবনমুখী ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির দিকে এগিয়ে নেওয়ার প্রতি আমাদের অঙ্গীকার। এ জন্য নির্ভরযোগ্য ডিজিটাল অবকাঠামো তৈরি, বাংলাদেশকে তথ্যপ্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা এবং আগামী পাঁচ বছরে ডিজিটাল খাতে ১০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি আমরা। দেশের টেলিযোগাযোগ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের উন্নয়নে হুয়াওয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।’
জেসন উ বলেন, ‘বাংলাদেশের ডিজিটাল অবকাঠামোর উন্নয়ন ও প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণে হুয়াওয়ে সরকার ও শিল্প খাতের অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশে দক্ষ প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদ তৈরি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যে আমরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করছি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাবিষয়ক প্রশিক্ষণ দিচ্ছি। পাশাপাশি টেলিযোগাযোগ সরঞ্জাম আমদানির ওপর নির্ভরতা কমাতে দেশে উৎপাদন ও সংযোজনের সুযোগ রয়েছে। গত বছর স্থানীয় অংশীদারের সঙ্গে বাংলাদেশে ব্যাটারি উৎপাদন শুরু করেছি। আমরা বিশ্বাস করি, উপযুক্ত নীতিগত সহায়তা পেলে ভবিষ্যতে দেশে আরও বেশি টেলিযোগাযোগ সরঞ্জাম উৎপাদন সম্ভব হবে।’
দিনব্যাপী এ আয়োজনে ছিল এক্সপেরিয়েন্স জোন। এখানে হুয়াওয়ের স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, স্মার্ট ওয়াচ, ইন্ডাস্ট্রিয়াল সোলার সিস্টেম, স্মার্ট ক্লাসরুম, স্মার্ট গভর্নমেন্ট, ডিজিটাল পাওয়ার ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক বিভিন্ন সমাধান তুলে ধরা হয়।