
বর্তমানে শেয়ারবাজারে ৩৬টি ব্যাংক তালিকাভুক্ত। এর মধ্যে একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়ায় থাকা পাঁচটি ব্যাংকের লেনদেন বন্ধ রয়েছে। এসব ব্যাংকের শেয়ারের মূল্যমান এরই মধ্যে শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। এ কারণে শেয়ারবাজারে ব্যাংকগুলোর শেয়ার লেনদেন বন্ধ রয়েছে। আর বাইরে খেলাপি ঋণ ও নানা অনিয়মে জর্জরিত ৭ ব্যাংক বড় ধরনের লোকসানে থাকায় ব্যাংকগুলোর হালনাগাদ পিই রেশিও প্রকাশ করা হয়নি। ৩৬ ব্যাংকের মধ্যে নিয়মিত আয়ের ভিত্তিতে শেয়ারবাজারে পিই রেশিও হিসাব করা হয়েছে ২৪টির। এই ২৪টি ব্যাংকের মধ্যে সবচেয়ে কম পিই রেশিও যমুনা ব্যাংকের, ২ দশমিক ৮৮। দ্বিতীয় অবস্থানে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, ৩ দশমিক ২৩। তৃতীয় অবস্থানে সাউথইস্ট ব্যাংক, ৩ দশমিক ৪৫। চতুর্থ অবস্থানে এনসিসি ব্যাংক, ৩ দশমিক ৫১। পঞ্চম অবস্থানে প্রাইম ব্যাংক, ৪ দশমিক ১৪। ব্যাংকগুলোর সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ ব্যাংকগুলোর মূল্য আয় অনুপাতের এই হিসাব প্রকাশ করেছে। ডিএসইর প্রকাশিত হিসাব অনুযায়ী, ২৪ ব্যাংকের মধ্যে ১১টির পিই রেশিও ৫-এর নিচে। আর ৭টির পিই রেশিও ১০-এর নিচে রয়েছে।
পিই রেশিও কী এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ
শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক এটি। শেয়ারবাজারের একটি কোম্পানির শেয়ারের দাম এবং ওই কোম্পানির আয়ের অনুপাতের তুলনাটিই পিই রেশিও হিসেবে পরিচিত। তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো বছরে চারবার আয়ের হিসাব প্রকাশ করে। এর মধ্যে বার্ষিক আয়ের হিসাবটিই একমাত্র নিরীক্ষিত। বাকি তিনটি আর্থিক প্রতিবেদন সাধারণত অনিরীক্ষিত থাকে। এসব আর্থিক প্রতিবেদন ও আয়ের ভিত্তিতে কোম্পানির পিই রেশিওর পরিবর্তন ঘটে। সাধারণভাবে পুঁজিবাজার বিশ্লেষকেরা বলে থাকেন, যে কোম্পানির পিই রেশিও যত কম, সেই কোম্পানিতে বিনিয়োগে ঝুঁকিও তত কম।