
বিষয়টি নিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছে বিবিএস। সংস্থার কর্মকর্তারা বলছেন, অর্থের সংস্থান ও অর্থছাড়ের প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায় টাকা দেওয়া যাচ্ছে না। এ মাসের মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে টাকা ছাড় হবে বলে আশা করছেন তাঁরা। এরপর গণনাকারীদের মধ্যে সম্মানীর টাকা বিতরণ করা হবে।
বিবিএস সূত্র জানায়, গত ২০ আগস্ট সারা দেশে একযোগে নৌযানশুমারি শুরু হয়। শেষ হয় ২৯ আগস্ট। নৌপরিবহন অধিদপ্তরের আর্থিক সহযোগিতায় শুমারিটি পরিচালনা করেছে বিবিএস। শুমারিতে ৩ হাজার ৫০০ গণনাকারী নিয়োগ দেওয়া হয়। ১০ দিনের কাজের জন্য তাঁদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা। ভ্যাট-কর বাদে প্রত্যেকের ১৫ হাজার টাকা করে পাওয়ার কথা।
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা রাজীব কান্তি চন্দ্র শুমারিতে গণনাকারীর দায়িত্ব পালন করেন। গত সোমবার প্রথম আলোকে তিনি বলেন, এর আগে তিনি বিবিএসের দুটি জরিপ ও শুমারিতে কাজ করেছেন। কিন্তু কখনো সম্মানীর টাকা পেতে এত দেরি হয়নি। এবার এমন বিলম্বকে অস্বাভাবিক বলে মনে হচ্ছে। কেন দেরি হচ্ছে, আদৌ টাকা পাবেন কি না, তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেন রাজীব কান্তি চন্দ্র। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চাইলে তাঁরা শিগগিরই সম্মানীর টাকা দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন।