
২০১৮ সালের সাধারণ নির্বাচনে ইমরানের দল শুধু খাইবার পাখতুনখাওয়ায় নয়, পাঞ্জাব প্রদেশেও জয়লাভ করে। এর ফলে দলটি কেন্দ্রীয় সরকার গঠনের সুযোগ পায়। তবে তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়ার প্রায় প্রকাশ্য সমর্থন ছাড়া পিটিআইয়ের পক্ষে এই ক্ষমতায় আসা সম্ভব হতো না।
প্রকৃতপক্ষে, সেনা জেনারেলরা মুসলিম লীগ নেতা নওয়াজ শরিফকে ক্ষমতা থেকে সরাতে চেয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে সংবিধান বাতিলের অভিযোগে সাবেক সামরিক শাসক জেনারেল পারভেজ মোশাররফের বিরুদ্ধে একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করেছিলেন নওয়াজ শরিফ। এ কারণে সামরিক নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর বিরোধ তৈরি হয়েছিল।
কিন্তু এক দশক ধরে ‘পুরোনো রাজনীতিকদের’ পেছনে ঠেলে দিতে সেনাবাহিনীর পছন্দের নেতা হিসেবে ব্যবহৃত ইমরান খান ২০২২ সালে জেনারেলদের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন। সেনাবাহিনীতে পদায়ন, বদলি ও পদোন্নতির প্রশ্নে এই বিরোধ তৈরি হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিরোধী দলগুলোর অনাস্থা ভোটে ক্ষমতাচ্যুত হন ইমরান। ফলে জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়ার অবসরের পর তাঁর ঘনিষ্ঠ মিত্র জেনারেল ফয়েজ হামিদকে সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ দিতে পারেননি ইমরান খান। এই পরিস্থিতিতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ জেনারেল আসিম মুনিরকে সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ পদে নিয়োগ দেওয়ার সুযোগ পান।