
এমন ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে বিচারিক কার্যক্রমের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী (দ্রুত বিচার) আদালত, প্রশাসনিক শাখা, রেকর্ড রুম, সেরেস্তা, ট্রেজারি, এজলাস এবং নকল সরবরাহকারী শাখার মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক কাজ। ভবনের দুই পাশে রয়েছে দুটি ক্যানটিনও।
সরকারি তথ্যমতে, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অধীনে বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, দুজন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও চারজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিচারকাজ পরিচালনা করছেন।
ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের বাধ্য হয়ে যাতায়াত এবং বিচারকাজ পরিচালনার বিষয়টিকে মানবাধিকারের বড় লঙ্ঘন হিসেবে দেখছেন অধিকারকর্মীরা। হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার্স ফোরাম কক্সবাজার শাখার সভাপতি ও আইনজীবী আবদুস শুক্কুর বলেন, নাগরিকদের জীবন ও নিরাপত্তার অধিকার রাষ্ট্রের নিশ্চিত করার কথা। কিন্তু বিচারপ্রার্থীরা ন্যায়বিচার চাইতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জরাজীর্ণ ভবনে আসা-যাওয়া করছেন। কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা ঘটার আগেই জরুরি ভিত্তিতে স্থায়ী সমাধান দরকার।