
এরই মধ্যে বিএনপির জেলা পর্যায়ের নেতৃত্বকে নিজ নিজ এলাকায় নেতা-কর্মীদের কর্মকাণ্ডের বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। কোনো নেতা বা কর্মী অপরাধে জড়িয়ে পড়লে তাঁকে প্রশ্রয় না দেওয়া এবং দ্রুত বিষয়টি কেন্দ্রকে জানানোর নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে ক্ষমতাসীন দলের পরিচয়ে প্রভাব বিস্তার, দখল, চাঁদাবাজি, ব্যক্তিগত স্বার্থে দলের নাম ব্যবহার কিংবা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার বিষয়ে কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছে।
বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব এমরান সালেহ প্রিন্স গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী অনেক আগেই সবাইকে সতর্ক করে নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি সংসদ সদস্যদের বৈঠকে ও প্রতিটি মন্ত্রিসভার বৈঠকে বারবার সবাইকে সতর্ক করছেন। জন-আকাঙ্ক্ষার প্রতি সম্মান জানিয়ে কাজ করার তাগিদ দিয়েছেন। দলের নেতাদের নিজ নিজ দায়িত্বাধীন এলাকার আইনশৃঙ্খলা, উন্নয়ন সমন্বয় ও সন্ত্রাস দমনে তৎপর হতে বলেছেন।