
প্রাথমিকভাবে ছয় ব্যক্তি ও শিল্পগোষ্ঠীকে নির্বাচিত করা হয়েছে। এগুলো হলো—আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, এস আলম গ্রুপ, বেক্সিমকো গ্রুপ, সিকদার গ্রুপ, নাসা গ্রুপ ও ওরিয়ন গ্রুপ। তাদের নির্বাচন করার পেছনে চারটি কারণ বিবেচনা করা হয়েছে। কারণগুলো হলো—বেশি খেলাপি ঋণ; বিভিন্ন দেশে অর্থ স্থানান্তরে বিদ্যমান গোয়েন্দা তথ্য ও প্রমাণ; ব্যাংক থেকে গোপন বা অস্বচ্ছ পদ্ধতিতে ঋণ গ্রহণের তথ্য; তদন্তের মধ্যে থাকা অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ১১টি শিল্পগোষ্ঠীর মধ্যে এই ছয় গ্রুপের ঋণের পরিমাণ ১২ বিলিয়ন ডলার।
আজ অনুমিত হিসাব–সম্পর্কিত কমিটিতে আরও জানানো হয়, ঋণের পরিমাণ এবং বিদেশে অবস্থিত সম্পদের তথ্যের ভিত্তিতে আরও ৪০ টি ঋণগ্রহীতার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় পর্যায়ে দেওয়ানি কার্যক্রম করা হবে। তাদের ঋণের পরিমাণ ২ বিলিয়ন ডলার।
বৈঠকে কমিটির সদস্য (সংসদ সদস্য) মো. সেলিম রেজা, মো. আবদুল আজিজ, মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী, মোহাম্মদ জাকির হোসেন, মোসাম্মৎ সাম্মী আক্তার, মো. রফিকুল ইসলাম খান ও মো. মাসুদ পারভেজ অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংসদ সচিবালয়ের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিদেশে পলায়ন বা তাদের সম্পদ স্থানান্তর প্রতিরোধে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ, অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত মামলায় ইন্টারপোলে রেড নোটিশ অনুরোধ পাঠানোর পাশাপাশি পাচার করা অর্থ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা এবং তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য কমিটি সুপারিশ করে।