
টেকসই উন্নয়ন ও পরিবেশবান্ধব উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আন্তর্জাতিক মূল্যায়নে, দেশের মধ্যে টানা দ্বিতীয়বারের মত প্রথম স্থান অর্জন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস, এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি)।
ইউআই গ্রিনমেট্রিক ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থান এশিয়ায় ১১৩তম এবং বিশ্বে ১৯৭তম।
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ সেপ্টেম্বর আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে আজারবাইজান স্টেট অয়েল অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ইউনিভার্সিটির আয়োজনে এক আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে এ বছরের ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
র্যাংকিংয়ের ১৭তম আসরে ১১০টি দেশের ২ হাজার ১৬টি বিশ্ববিদ্যালয় ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়।
‘‘ইন্দোনেশিয়ার ইউনিভার্সিটাস ইন্দোনেশিয়া ২০১০ সাল থেকে এই র্যাংকিংয় প্রকাশ করে আসছে। বিশ্বজুড়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সবুজ ক্যাম্পাস ও টেকসই উন্নয়নের নীতি কতটা বাস্তবায়িত হচ্ছে, তা তুলে ধরাই এর লক্ষ্য।”
এবারের মূল্যায়নে সাতটি প্রধান ক্ষেত্র বিবেচনা করা হয়েছে: পরিবেশ ও অবকাঠামো, জ্বালানি ও জলবায়ু পরিবর্তন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানি ব্যবস্থাপনা, পরিবহন, শিক্ষা ও গবেষণা এবং শাসনব্যবস্থা ও ডিজিটালায়ন।’’
এই অর্জন নিয়ে আইইউবিএটির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সেলিনা নার্গিস বলেন, “এই স্বীকৃতি আমাদের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের দীর্ঘদিনের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। টেকসই ও পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে আমরা এগিয়ে যাব।’’
১৯৯১ সালে যাত্রা শুরু করা আইইউবিএটি বাংলাদেশের প্রথমদিকের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একটি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও আইবিএর সাবেক পরিচালক এম আলিমউল্যা মিয়ান এর প্রতিষ্ঠাতা।
পরিবেশ উন্নয়নের অঙ্গীকার থেকে তিনি ২০০৮ সালে আইইউবিএটিকে ‘গ্রিন ক্যাম্পাস’ হিসেবে ঘোষণা করেন।
সেই ধারাবাহিকতায় সবুজায়ন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও টেকসই ক্যাম্পাস গড়ার চর্চার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল বিশ্ববিদ্যালয়টি।