
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যায় নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটনে ‘হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউ ইয়র্ক’ হোটেলে এ বৈঠক হয়।
বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনার বিষয়বস্তু পরে ব্রিফিংয়ে তুলে ধরেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
তিনি বলেন, “ইরানের প্রেসিডেন্টের সাথে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ মনে করে যে, জাতিসংঘ একটি নিরপেক্ষ জায়গা…এই নিরপেক্ষ জায়গা ইরানের রাষ্ট্রপতি উপস্থিত…এখানে আমাদের একটা উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রায় ৮ মিলিয়ন প্রবাসী ওয়ার্কার্স মধ্যপ্রাচ্যে কাজ করেছেন।
“এখানে যদি সিচুয়েশনটা পিসফুল একটা রেজুলশনের দিকে না যায়; এই কনফ্লিক্টের ইমপ্যাক্ট তাহলে আমাদের দেশেও পড়বে, রেমিটেন্সের ওপর পড়বে… এটা আমাদের একটা ডিপ কনসার্ন।”
হুমায়ুন কবির বলেন, “এছাড়া আমাদের কনটেইনারগুলো—অনেক জাহাজ আটক আছে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ কনফ্লিক্টের কারণে। সেজন্য আমরা আহ্বান জানায়েছি ইরানের প্রেসিডেন্টকে যে, আমরা দ্রুত এটা সমাধান চাই এবং ডিপ্লোমেসির মাধ্যমে যাতে এই যুদ্ধের একটা সমাধান হয়।
“এই সমাধান হওয়ার পরে যাতে আমাদের যে যুদ্ধে জাহাজগুলা আটকে আছে, সেগুলো নিরাপদে দেশে আসতে পারে—এ ব্যাপারে উনারা ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। এই সহযোগিতা আমরা চেয়েছি।”
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এনার্জি ক্রাইসিসে যাতে আমরা না পড়ি—এ ব্যাপারে আমাদের উদ্বেগের কথা বলেছি। ইরানের প্রেসিডেন্ট আমাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন।
“আমরা আশ্বাস পেয়েছি। ইরানের প্রেসিডেন্টসহ উনার অফিশিয়ালগণ এটা নোট করেছেন।”
হুমায়ুন কবির বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যের আরও যারা পার্টনার আছেন, উনারাও বলছেন, ‘আপনারাও একটু কথাবার্তা বলেন। যেহেতু আপনারা (বাংলাদেশ) নিউট্রাল ভূমিকায় আছেন, সেই নিউট্রাল জায়গা থেকে বলেন।’
“এই দায়িত্ব যেমন আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিয়েছেন। আমরা বলছি যে, বাংলাদেশ উইল বিকাম এ সফট মিডিয়াম ইনফ্লুয়েন্স ফর গুড ফর পিস অ্যান্ড স্ট্যাবিলিটি ইন দ্য ওয়ার্ল্ড। এই উদ্যোগের মাধ্যমেই আমাদের এই সাক্ষাৎ এবং আমাদের দেশের ন্যাশনাল ইন্টারেস্টকে সামনে রেখেই ইরানের প্রেসিডেন্ট সাহেবের সাথে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে।”