
মৌসুম বদলের এই সময় ঘরে ঘরে জ্বর। কারও ডেঙ্গু, কারও চিকুনগুনিয়া, কারও হাম, কারও আবার সাধারণ ফ্লু। বেশির ভাগ জ্বর কয়েক দিনের ভোগান্তির পর সেরে গেলেও কারও কারও কিন্তু বিপদ নেমে আসছে। কাউকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হচ্ছে, কারও কারও আবার মৃত্যু পর্যন্ত হচ্ছে।
কে যে সহজেই সেরে উঠবেন, আর কার জটিলতা দেখা দেবে—শুরুতে তা বোঝা মুশকিল। যেহেতু ‘জ্বর’ নিজে কোনো রোগ নয়, রোগের উপসর্গমাত্র; তাই ভেতরের গল্পটা রোগীভেদে ভিন্ন।
জ্বরের তীব্রতা ও স্থায়িত্বকাল, রোগীর বয়স, নারীদের গর্ভকালীন সময়, দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতা, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা, সাম্প্রতিক ভ্রমণ ইতিহাস প্রভৃতি পর্যালোচনার মাধ্যমে সামগ্রিকভাবে চিকিৎসাব্যবস্থা নিশ্চিত করা তাই জরুরি। আর সেই সঙ্গেই জরুরি সতর্ক পর্যবেক্ষণ ও মনিটরিং।
জ্বর হলেই আতঙ্ক নয়, তবে ‘আরেকটু দেখি’ বা ‘এ আর এমন কি’—এমনটা ভেবে অবহেলা করাও অনুচিত। কেননা জ্বরের পেছনে থাকতে পারে ফ্লু, ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, টাইফয়েড, নিউমোনিয়া, প্রস্রাবে ইনফেকশন, মস্তিষ্কে প্রদাহ, হেপাটাইটিস থেকে শুরু করে কোনো কোনো ক্ষেত্রে গুরুতর সংক্রামক ব্যাধিও।