
কুড়িগ্রামের চিলমারী নদীবন্দর দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ যাতায়াত করলেও সেখানে কোনো গণশৌচাগার নেই। ফলে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে মানুষকে।
রৌমারী, রাজীবপুর ও বিভিন্ন চরাঞ্চল থেকে নদীপথে চিলমারী বন্দরে পৌঁছাতে প্রায় দুই থেকে তিন ঘণ্টা সময় লাগে। দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে ঘাটে পৌঁছানোর পর শৌচাগারের ব্যবস্থা না থাকায় জরুরি প্রয়োজনে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয় বলে অভিযোগ করেন যাত্রীরা।
এতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েন নারী, শিশু ও বয়স্করা। অনেকে বাধ্য হয়ে আশপাশের বাসাবাড়িতে গিয়ে শৌচাগার ব্যবহারের অনুরোধ করেন।
নিয়মিত এই নৌপথে চলাচলকারী এক যাত্রী হ্যালো ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমার বাড়ি চিলমারী হলেও চাকরির কারণে আমি প্রতিদিন এই পথে রৌমারী যাই। কিছুদিন আগে আমার স্ত্রীকে নিয়ে যাওয়ার সময় শৌচাগারে যাওয়ার প্রয়োজন দেখা দেয়। কিন্তু এখানে কোনো ব্যবস্থা না থাকায় খুবই অসুবিধা হয়।”
আরেক বৃদ্ধ যাত্রী বলেন, “শৌচাগার সংকটে আমাদের খুব অসুবিধা হয়। এখানে একটি শৌচাগার নির্মাণ করা খুবই প্রয়োজন।”
এক নারী যাত্রী বলেন, “শৌচাগার না থাকায় আমাদের সবচেয়ে বেশি অসুবিধা হয়। শৌচাগার নির্মাণ হলে আমাদের এই দুর্ভোগ লাঘব হবে।”
এ বিষয়ে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের নদীবন্দরের পোর্ট অফিসার পুতুল চন্দ্র হ্যালোকে বলেন, আমরা ইতোমধ্যে ১০ একর জমি অধিগ্রহণ করেছি। সেখানে শৌচাগারসহ যাত্রীসেবায় আরও নানা স্থাপনা নির্মাণ করা হবে। আশা করি আগামী অর্থবছরের আগেই বেশ কিছু কাজ শেষ হবে।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৬। জেলা: কুড়িগ্রাম।