
বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সাবেক সভাপতি রশীদ-ই-মাহবুব বলেন, চিকিৎসায় আগের মতো মানবতা নেই। এতে ব্যবসা ঢুকে গেছে। বাংলাদেশেও এটি দেখা যায়। আর মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে চিকিৎসকদের অধিকাংশ বিভিন্ন দেশের। সেখানে প্রবাসীদের চিকিৎসা পাওয়া কঠিন। এটি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক ফয়জুল হাকীম বলেন, প্রবাসীরা ঋণ করে বিদেশে যান। মানসিক চাপ থাকে, বাড়তি পরিশ্রম করেন। তাই হৃদ্রোগের ঝুঁকি থাকে। প্রচুর ব্যথানাশক ওষুধ খান। এতে কিডনি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। রাষ্ট্র এদিকে গুরুত্ব দেয় না। তারা ডলার চেনে, রেমিট্যান্স চেনে, রিজার্ভ চেনে। প্রবাসীরা স্বাস্থ্য বোঝেন না, অধিকার বোঝেন না।