
সড়কের দুই পাশে সাতৈর উচ্চবিদ্যালয়, সাতৈর মাদ্রাসা, সাতৈর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চিতার বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কোন্দারদিয়া দাখিল মাদ্রাসা, ডোবরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ডোবরা মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদেরও সড়কে চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এ ছাড়া ফরিদপুর সদর, কানাইপুর ও সালথা উপজেলার মানুষ ভাঙাচোরা সড়কটি ব্যবহার করে থাকেন। এ সড়কে পিকআপ ভ্যান, মাইক্রোবাস, সিএনজিচালিত ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, মাহেন্দ্র, অ্যাম্বুলেন্স, মোটরসাইকেল ও সাইকেল নিয়মিত চলাচল করে।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. পাচু শেখ বলেন, সড়কটির পাশে খালেক মাতুব্বর, সেলিম শিকদার, তুজাম শিকদার, কালাম, সিরাজ, হাবিবুর রহমান, নজরুল ও রেজাউলের বাড়ির সামনের অবস্থা সবচেয়ে বেশি খারাপ।