
কেনেডি সেন্টারের বাইরের অংশে ট্রাম্পের নাম বসানোর চেষ্টা আটকে দিয়েছিলেন একজন কেন্দ্রীয় বিচারক। এরপর ভবনটির জন্য পরিকল্পিত ২৫ কোটি ৭০ লাখ ডলারের সংস্কারকাজ বাতিলের হুমকি দেন ট্রাম্প।
পরে এয়ার ফোর্স ওয়ানের জানালা দিয়ে তোলা ছবিতে দেখা যায়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ‘কেনেডি সেন্টার গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে’ শিরোনামের একটি পোস্টার পর্যালোচনা করছেন। এতে নতুন জল্পনা তৈরি হয়। নিজের নামের ছাপ রাখতে না পারলে ট্রাম্প প্রতিষ্ঠানটিই ধ্বংস করে দিতে পারেন কি না, সেই প্রশ্ন ওঠে।
ডগলাস হাই বলেন, রিপাবলিকানদের অনেকেই চান, ট্রাম্প তাঁদের সমর্থকদের অর্থনৈতিক উদ্বেগ দূর করার নীতিতে আরও বেশি মনোযোগ দিন।
ডগলাস হাই বলেন, ‘সংবাদের আলোচনার বিষয় দখল করতে ট্রাম্প অবশ্যই আক্রমণাত্মক কৌশল ব্যবহার করেন। আমার মতে, এসব কৌশল প্রায়ই তাঁর কোনো উপকার করে না।’
ডগলাস হাই আরও বলেন, ‘নির্বাচনের আর ৪৫ দিন বাকি। এই সপ্তাহে এবং আগামী সপ্তাহের শুরুতে আমরা কী নিয়ে কথা বলছি? দাম কমাতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনা নিয়ে কোনো কথাই হচ্ছে না।’