
থাইল্যান্ডের বিভিন্ন শহরে প্রতিযোগীদের গ্রুমিং ও ঘোরাফেরা ছাড়াও চলতে থাকে অলিখিত মার্কিং। তবে সবখানেই মিথিলা আলোচনায় উঠে আসেন শক্ত প্রতিযোগী হিসেবে।
অনলাইনে ভোটিং পর্ব শুরু হলে আলোচনা আরও বেড়ে যায়। এরপর মিস ইউনিভার্স আয়োজকেরাও বিশেষভাবে নজর রাখতে শুরু করেন মিথিলার দিকে। মানুষ নিয়মিত ভোট দিয়ে বিভিন্ন রাউন্ডে এগিয়ে রাখেন মিথিলাকে। অনলাইনে মিথিলা দর্শকের ভোট যেমন পেয়েছেন, সমালোচনার মুখেও পড়েছিলেন। কেউ কেউ মিথিলার প্রায় পাঁচ বছরের পুরোনো একটি ভিডিওর প্রসঙ্গ সামনে এনে তাঁর সমালোচনা করতে থাকেন।
এরপর পাতায়া শহরে অনুষ্ঠিত একটি পর্বে মিথিলা সুইমিং কস্টিউম পরলেও অনলাইনে নেতিবাচক কমেন্ট করেন কেউ কেউ। সেসব দেখে মিথিলা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। থাইল্যান্ড থেকে ফেসবুক লাইভে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন। মিথিলা বলেন, ‘আমি দেশের নাম উজ্জ্বল করতে এত পরিশ্রম করছি; তারপরও কিছু মানুষ নেগেটিভ কমেন্ট করছেন। আমিও তো একটা মানুষ, আমারও ইমোশন আছে। আপনারা নিজের দেশের লোক হয়েই যদি এভাবে নেগেটিভিটি ছড়ান, তাহলে আমি কোনোভাবেই সামনে এগোতে পারব না।’
তারপরও সেসব সমালোচনা সামলে ‘ক্লোজ ডোর ইন্টারভিউ’ সেশনে ভালো করেন মিথিলা। বিদেশি সাংবাদিকেরাও মিথিলার সঙ্গে কথা বলার জন্য আগ্রহী হয়ে ওঠেন। অনলাইনে সেসব ভিডিওতে বিদেশিরাও ‘স্ট্রং কন্টেস্ট্যান্ট’ হিসেবে মিথিলার নাম সামনে আনেন। অনলাইন ভোটিংয়ে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করেও শেষ দিন মিথিলা জিততে পারেননি। তবে বিভিন্ন বিভাগে আলাদা ভোটে কোনোটায় প্রথম, কোনোটায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় হন। অনলাইন ভোটে যিনি সবচেয়ে এগিয়ে থাকেন, তিনি সরাসরি সেরা ৩০–এ জায়গা করে নিতে পারেন।
মিথিলা হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করলেও ফিলিপাইনের প্রতিযোগীর কাছে অনলাইন ভোটে হেরে যান। তবে সেরা ৩০–এ জায়গা করে নেন নিজ যোগ্যতায়। এই সেরা ৩০–এ জায়গায় করে নেওয়ার সময় মিথিলার নাম উচ্চারিত হয় দ্বাদশ প্রতিযোগী হিসেবে।
এর আগে ১৯ নভেম্বর অনুষ্ঠিত একাধিক পর্বে মঞ্চে ভালো করেন মিথিলা। ইভনিং গাউন, ন্যাশনাল কস্টিউম, বিকিনি রাউন্ডে ছিলেন স্বচ্ছন্দ।