
বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, আলতাদিঘী পুনঃখননের কাজ বাস্তবায়ন করতে গিয়ে দিঘির চারপাশের ১ হাজার ১০২টি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে শুরু করে নভেম্বর পর্যন্ত গাছগুলো কাটা হয়েছে।
তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দিঘি খননের নামে তিন হাজারের বেশি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। দিঘির মূল জলাশয় থেকে পাড়ের অনেক দূরের গাছ কাটা হয়েছে। এমনকি দিঘির পাড়ের আশপাশের প্রাকৃতিক সৃষ্ট শালবনের অনেক বড় বড় গাছও কেটে ফেলা হয়েছে। এ ছাড়া অনেক শোভাবর্ধনকারী গাছও কাটা পড়েছে।
মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে কথা হয় আলতাদিঘী জাতীয় উদ্যানে বেড়াতে আসা নওগাঁর নজিপুর সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম ও মুশফিকুর রহমানের সঙ্গে। দিঘির বর্তমান অবস্থা দেখে তাঁরা দুজনই ক্ষুব্ধ। সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘পুনঃখননের জন্য দিঘির পানি শুকিয়ে ফেলা হয়েছে, এটা মেনে নেওয়া যায়। কারণ, প্রয়োজনে পানি দিয়ে দিঘিটি আবার ভরা যাবে। কিন্তু যেভাবে দিঘির পাড়ের গাছ কাটা হয়েছে, এটা মানতে পারছি না। পুরো এলাকা যেন ধু ধু মরুভূমি হয়ে গেছে।’