
অর্থাৎ প্রত্যাগত অভিবাসী কর্মী যেন তৈরি না হয়, সেদিকে অবশ্যই জোর দিতে হবে। সে ক্ষেত্রে যদি কর্মী অভিবাসন হ্রাস পায়, তবু ওই ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ/অনিশ্চিত কোনো চাকরিতে যোগদানের অনুমতি দেওয়া উচিত নয়। কেননা সঠিক পদ্ধতির অভিবাসন খুব শিগগির সম্ভাবনাময় কর্মী, গন্তব্যদেশ, গ্রহণযোগ্যতা—সব ক্ষেত্রেই অনেক বেশি আগ্রহ তৈরি করবে। ফলে রেমিট্যান্সপ্রবাহও অনেক মাত্রায় বৃদ্ধি পাবে। এসব ক্ষেত্রে সরকারি, বেসরকারি, সামাজিক ও ব্যক্তিগতভাবে এখনো অনেক উদ্যোগ ও কর্মপন্থা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে।
যথাযথ একটি তথ্যভান্ডার তৈরি করা এখন অপরিহার্য। তথ্যভান্ডারটি ধীরে ধীরে বিস্তৃত করতে হবে, বিশেষ করে কর্মীরা কীভাবে গেছেন, কী ধরনের কাজ করেছেন, তাঁরা কী ধরনের কাজের বেশি মূল্যায়ন লক্ষ করেছেন, কাজে নির্দিষ্ট করে কী ধরনের দক্ষতার অভাব অনুভব করেছেন ইত্যাদি। একই সঙ্গে তাঁদের প্রেরণকারী এজেন্ট এবং গ্রহণকারী এজেন্ট বা নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের তথ্যও সন্নিবেশ করতে হবে। এ কাজ সময়সাপেক্ষ, তবে খুব কঠিন নয়।