
মুনমুন মেহমুদের সঙ্গে রোয়েনার দীর্ঘদিনের পরিচয়, বন্ধুত্ব। মুনমুন নিজেও ফুড ফটোগ্রাফি করতেন। রোয়েনা যখন হাতে–কলমে শেখানো শুরু করলেন, মুনমুনও ভর্তি হয়ে গেলেন। ‘আমরা প্রায় একই সঙ্গে ফটোগ্রাফি শুরু করি। তবে রোয়েনার শিক্ষার্থী হয়ে বুঝলাম, ও যেমন ভালো ছবি তোলে, তেমনি শেখায়ও ভালো।’
মুনমুন একসময় বেকিং করতেন। নিজের পেজের জন্য ছবি তুলতে তুলতে পেশাদারত্বের সঙ্গে ফটোগ্রাফিও শুরু। ‘এখন খাবারের পাশাপাশি প্রোডাক্ট ফটোগ্রাফিও করি। বিভিন্ন অনলাইন পেজের নানা পণ্য যেমন গয়না, প্রসাধনীরও ছবি তেলা হয়’, বললেন তিনি। সিরামিক বাসন তৈরির স্বনামধন্য একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও কাজ করেছেন তিনি।
নাজনীন সুলতানার গল্পটা একটু ভিন্ন। বছর দুয়েক হলো ফটোগ্রাফি শুরু করেছেন। শুরুটা মুঠোফোন দিয়ে, সম্প্রতি ডিএসএলআর ক্যামেরা কিনেছেন। ‘বেসিক ফটোগ্রাফি ক্লাসগুলো তো মুঠোফোন দিয়েই করেছি। অনেকে বলে ক্যামেরা লাগবেই, এটা ভুল ধারণা। (রোয়েনা) আপুর ক্লাসে মুঠোফোন দিয়েও শেখা শুরু করা যায়’, বললেন তিনি।
দুবাইতে থাকেন নাজনীন। এর মধ্যেই পরিচিতজনদের মধ্যে অনেকে জেনেছেন তাঁর দক্ষতার খবর। দুবাইতে তাঁদের কমিউনিটির শিশুদের ছবি তোলা শেখানোর পরিকল্পনা চলছে। এ ছাড়া নবজাতকের ছবি তুলতেও পছন্দ করেন তিনি।
‘আমি আর একটু শিখে তারপর কাজ করতে চাই। যদিও কাজের প্রস্তাব আসছে, আমি এখন শেখাতেই মনোযোগ দিচ্ছি।’