• বৃহস্পতি. সেপ্টে. 17th, 2026

আফিমজাতীয় ওষুধের আসক্তি নিখুঁতভাবে বের করার পদ্ধতি উদ্ভাবনে নেতৃত্ব দিয়েছেন বাংলাদেশের রামিসা

Bytrendnews

সেপ্টে. 17, 2026


অপিওয়েড আসক্তি নিয়ে কাজ করেন ব্রাউন স্কুল অব পাবলিক হেলথের সহযোগী অধ্যাপক ক্যারোলিনা হ্যাস–কফলার। কিন্তু প্রয়োজনীয় সব তথ্য না পাওয়ায় মুশকিলে পড়ছিলেন এই চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্য গবেষক। তাই সাহায্যের জন্য ব্রাউন স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধ্যাপক অনুভব ত্রিপাঠির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। অধ্যাপক ত্রিপাঠির অধীনে পিএইচডি করে এই প্রতিষ্ঠানেই পোস্টডক্টরাল রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট হিসেবে কাজ করছেন রামিসা ফারিহা। পিতৃতুল্য এই অধ্যাপকই রামিসাকে চ্যালেঞ্জটা নিতে উৎসাহ দেন। সেখান থেকেই শুরু এই যাত্রা।

রামিসা বলছিলেন, ‘মাদকাসক্ত ব্যক্তির নমুনা হিসেবে পরীক্ষার জন্য রক্ত বা প্রস্রাব নেওয়ার চল আগে থেকেই ছিল। তবে মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের রক্তনালি কিছুটা অস্বাভাবিক হয়ে পড়ে বলে পর্যাপ্ত রক্তের নমুনা সংগ্রহটাই বড় চ্যালেঞ্জ। প্রস্রাবের নমুনাও পরীক্ষা করা হয়, তবে অপিওয়েড আসক্তির ব্যাপারে সব সময় তা নির্ভুল ফলাফল দেয় না। আর প্রচলিত পদ্ধতিতে কোনো নমুনা থেকেই দেহে অপিওয়েডের সঠিক মাত্রা নির্ণয় করা যায় না। কিন্তু এই মাত্রা জানা থাকলে চিকিৎসার সময় কাউকে বাড়তি মাত্রায় ওষুধ দেওয়ার ঝুঁকি থাকে না।’

তাই রামিসার দলকে এমন কিছু আবিষ্কার করতে হতো, যাতে সব কটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা যায়। নবজাতকদের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করাও কঠিন। আর নিওনেটাল অ্যাবস্টিনেন্স সিনড্রোমের উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকেরা চট করে ধারণাও করতে পারেন না যে এতটুকু শিশুর অপিওয়েডের অভাবে এমন সমস্যা হচ্ছে! এ ব্যাপারটিরও সুরাহা করতে চাইলেন রামিসার দল।



Source link

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।