
১. জেনারেল বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এমবিএসহ)—বাজারে অতিসংখ্যক গ্র্যাজুয়েট ও নিয়োগদাতাদের চাহিদার পরিবর্তনে আয় কমছে।
২. কম্পিউটার সায়েন্স—শুরুতে আয় বেশি হলেও দ্রুত দক্ষতা অপ্রচলিত হয়ে পড়ছে।
৩. মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং—অটোমেশন ও অফশোর উৎপাদনের কারণে চাকরির সুযোগ কমছে।
৪. অ্যাকাউন্টিং—অটোমেশন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দীর্ঘমেয়াদি কর্মসংস্থান কমিয়ে দিচ্ছে।
৫. বায়োকেমিস্ট্রি—খুব সীমিত চাকরির ক্ষেত্র, একাডেমিক–নির্ভরতা বেশি।
৬. সাইকোলজি (স্নাতক)—উচ্চতর ডিগ্রি ছাড়া সরাসরি চাকরির সুযোগ কম।
৭. ইংরেজি ও হিউম্যানিটিজ—কর্মক্ষেত্রের অনিশ্চয়তায় ভর্তি কমছে।
৮. সোশিওলজি ও সামাজিক বিজ্ঞান—কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে সরাসরি মিল কম।
৯. ইতিহাস—মাঝারি ক্যারিয়ার পর্যায়ে আয়ের হার কমে যায়।
১০. দর্শন—দার্শনিক চিন্তা মূল্যবান হলেও চাকরির বাজারে সরাসরি প্রয়োগ সীমিত।