• মঙ্গল. সেপ্টে. 15th, 2026

কথার আঘাতও আত্মহত্যার কারণ হতে পারে, দরকার সহনশীলতা

Bytrendnews

সেপ্টে. 15, 2026


মানুষকে কথা দিয়ে বেশি আঘাত করা যায়। এটা অনেক সময় অসহনীয় হয়ে ওঠে। কথার আঘাতে কেউ কাউকে আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দিতে পারেন। সেজন্য কথার আঘাত থেকে মানুষকে বাঁচাতে সহনশীল হওয়া জরুরি।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আয়োজিত এক সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।

‘নীরবতা থেকে পদক্ষেপ: তরুণদের আত্মহত্যা বিষয়ে দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে কথা দিয়ে আঘাত না করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। আঁচল ফাউন্ডেশন ও হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট সেন্টার যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

সভায় তরুণদের আত্মহত্যা প্রতিরোধে নীরবতা ভেঙে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনা, সামাজিক কলঙ্ক দূর করা এবং ঝুঁকিতে থাকা তরুণদের জন্য কার্যকর ও সহজলভ্য সহায়তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানান বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

তারা বলেন, আত্মহত্যাকে কেবল ব্যক্তিগত বা পারিবারিক সমস্যা হিসেবে দেখলে এর কার্যকর প্রতিরোধ সম্ভব নয়। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা, সরকারি প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও গণমাধ্যমের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে এটিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে মোকাবিলা করতে হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত। তিনি বলেন, ‘জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে আত্মহত্যার চিন্তা আসতে পারে। তবে যথাযথ পরিবেশ, সোশ্যাল নেটওয়ার্ক, সাপোর্ট সিস্টেম থাকা দরকার। এটা না থাকলে মানুষের সুইসাইডাল আইডিয়েশনের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। মানসিক স্বাস্থ্য সাপোর্ট ও সিস্টেমের অভাবের এটা ঘটছে।

আঁচল ফাউন্ডেশনের লিড সাইকিয়াট্রিস্ট ডা. সায়েদুল ইসলাম সাইদ সভায় মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন। আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের অধ্যাপক মো. কামাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক মহসিন আলী শাহ, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব মেন্টাল হেলথের পরিচালক ডা. সাইফুন নাহার, লেখক ও গবেষক গওহার নঈম ওয়ারা, ইনসাইট ফর চেঞ্জ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার নওফেল জামির, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ডিগনিটির প্রকল্প ব্যবস্থাপক আশরাফুল আনোয়ার রোজেন, হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের পরিচালক জিয়ানুর কবির প্রমুখ।

স্বাগত বক্তব্য দেন আঁচল ফাউন্ডেশনের সভাপতি মোহাম্মদ তানসেন। সঞ্চালনায় ছিলেন এটিএন বাংলার কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স এডিটর একরামুল হক সায়েম।

এএএইচ/এমআইএইচএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।



Source link

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।