• সোম. অক্টো. 5th, 2026

দুর্নীতির মামলায় শাজাহান খান ও ছেলে আসিবুরকে গ্রেপ্তার দেখানো হলো

Bytrendnews

অক্টো. 5, 2026


প্রায় ১০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান ও তার ছেলে আসিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবীর সোমবার এ আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন দুদকের কৌঁসুলি খাদেমুল হক।

আওয়ামী সরকারের পতনের মাস খানেক পর ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ঢফাকার ধানমন্ডি এলাকা থেকে শাজাহান খানকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। এরপর তাকে জুলাই আন্দোলনের বেশ কয়েকটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়, নেওয়া হয় রিমান্ডে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলায়ও তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

শাজাহান খানকে গ্রেপ্তারের তিন সপ্তাহ বাদে ২৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করা হয় তার ছেলে আসিবুরকে।


Image

আদালত প্রাঙ্গণে শাজাহানপুত্র আসিবুর রহমান।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মাহাথীর মুহাম্মদ সামী গত ৭ সেপ্টেম্বর তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির দিন রাখেন ৫ অক্টোবর।

এদিন শুনানিকালে তাদের আদালতে হাজির করা হয়। পরে আদালত তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেয়। এরপর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এদিন তাদের আইনজীবী মিজানুর রহমান বাদশাহ জামিন চেয়ে আবেদন করেন। আদালত আগামী ১৫ অক্টোবর জামিন শুনানির দিন রেখেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার দিন ছিল সোমবার। তবে তদন্ত সংস্থা দুদক প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি। এজন্য আগামী ২৫ নভেম্বর প্রতিবেদনের দিন রাখা হয়েছে।

শুনানি শেষে আদালত থেকে নামানোর সময় শাজাহান খান সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, “তোমারে দেখিবে যে, মনের কথা বলিবে সে।”

এনসিপি ও জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে তিনি বলেন, “এনসিপি জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে মিশে গিয়ে জামায়াতে ইসলামী হয়ে গেছে।”

গত বছরের ২ ফেব্রুয়ারি দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ কমিশনের উপপরিচালক কমলেশ মন্ডল বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় শাজাহান খানের সঙ্গে তার ছেলে আসিবুর রহমানকেও আসামি করা হয়। শাহজাহানপুত্রই এ মামলার প্রধান আসামি।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, আসামি আসিবুর রহমান আয়করদাতা হওয়ার পরও তার নামে মোট ১১ কোটি ৭৯ লাখ ৫ হাজার ২৪৮ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের সন্ধান পাওয়া যায়। তবে অনুসন্ধানে তার গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস পাওয়া গেছে ১ কোটি ৮৯ লাখ ৯৯ হাজার ১৮৩ টাকা। ফলে তার নামে ৯ কোটি ৮৯ লাখ ৫ হাজার ৬৮৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এজাহারে বলা হয়, সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অসদুপায়ে অর্জিত অর্থ দিয়ে তার সন্তান আসিবুর রহমানের নামে এসব স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনে সহায়তা করেছেন।



Source link

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।