
মালয়েশিয়ার সেগি ইউনিভার্সিটিতে গিয়ে বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের ২২৫টি উদ্ভাবন দেখে অভিভূত হয়েছেন রায়হানা। সারা বিশ্বের শিক্ষার্থীরা অটোমেশন নিয়ে কত ধরনের সমস্যার দিকে তাকাচ্ছেন, সেটা কাছ থেকে দেখে নতুন করে অনুপ্রাণিত হয়েছেন। বিশেষভাবে নজর কেড়েছে ‘স্মার্ট সিপিআর-ড্রোন ফর ইএমএস’ প্রকল্পটি। এই প্রকল্প দেখে রায়হানারা ধারণা পেয়েছেন, কীভাবে অটোমেশন সরাসরি মানুষের জীবন বাঁচাতে ভূমিকা রাখতে পারে।
নিজেদের বুথে দর্শনার্থীদের সামনে রোবটের শব্দতরঙ্গ-সুবিধার লাইভ ডেমো দেখাতে হয়েছে। নানা প্রশ্নেরও উত্তর দিয়েছেন দুই তরুণ উদ্ভাবক। কিন্তু আসল পরীক্ষা তখনো বাকি। বিচারকেরা প্রশ্ন করেছেন, স্বয়ংক্রিয়ভাবে রোবট লক্ষ্য ঠিক করবে কীভাবে, কীভাবে উচ্চ তাপমাত্রায়ও কাজ করবে? আমিনুল্লাহ বলছিলেন, ‘আমরা দুজন আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই এসব কারিগরি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি।’
শেষে ফল ঘোষণার মুহূর্তটা ছিল অবিস্মরণীয়। স্বর্ণপদক নিতে মঞ্চে ওঠার সময় দুজনই লাল-সবুজ পতাকাটা সঙ্গে নিতে ভোলেননি।