
কারণ, রোনালদোও তো সাধারণ কোনো ফুটবলার নন। পর্তুগালের ফুটবল ইতিহাসকে রোনালদোর আগে ও পরে ভাগ করা যায়। তাঁর আগে পর্তুগাল তিনটি বিশ্বকাপ ও তিনটি ইউরোতে খেলেছিল, কিন্তু বড় কোনো আন্তর্জাতিক ট্রফি জেতেনি। রোনালদোর যুগে ছয়টি বিশ্বকাপ, ছয়টি ইউরো এবং তিনটি বড় আন্তর্জাতিক ট্রফি। এই সময়ে রোনালদোর ২৩৪ ম্যাচ, ১৪৬ গোল। দুটিই বিশ্ব রেকর্ড। ইউরোতে ১৪ গোল, বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ৪১, বিশ্বকাপে পর্তুগালের হয়ে ১১। এমন একজন মানুষকে শুধু একজন খেলোয়াড় হিসেবে দেখা যায়?
আবার কোচের দিক থেকেও প্রশ্ন আছে। একটি দলের নিয়ম যদি একজনের জন্য আলাদা হয়, তাহলে সেই নিয়ম আর নিয়ম থাকে না, হয়ে যায় ব্যতিক্রম। আর জেসুস ব্যতিক্রম পছন্দ করেন না। সমস্যাটা সম্ভবত এখানেই। রোনালদো মনে করেছেন, তাঁকে যথেষ্ট সম্মান দেওয়া হয়নি। জেসুস মনে করছেন, তিনি শুধু নিজের কোচিং–নীতিতে অটল থেকেছেন।