
এর সঙ্গে প্রয়োজন জাতীয় সফটওয়্যার স্ট্যান্ডার্ড। সরকারি অর্থে তৈরি সফটওয়্যারের কোডের মান, ডকুমেন্টেশন, ভার্সনিং, টেস্টিং, লগিং, ব্যাকআপ, দুর্যোগ পুনরুদ্ধার, স্কেলেবিলিটি, সোর্স কোড সংরক্ষণ এবং প্রকল্প শেষে হস্তান্তর ও রক্ষণাবেক্ষণের ন্যূনতম মান নির্ধারণ করা প্রয়োজন। এতে ভিন্ন ভেন্ডরের তৈরি সফটওয়্যারের মানে বড় পার্থক্য কমবে।
এরপর গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ডেটা স্ট্যান্ডার্ড। নাগরিক, প্রতিষ্ঠান, ঠিকানা, ভূমি, ব্যবসা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের সংজ্ঞা ও কাঠামোয় সামঞ্জস্য না থাকলে শুধু সিস্টেম যুক্ত করলেই কার্যকর ইন্টার–অপারেবিলিটি তৈরি হবে না। একই তথ্য যদি সরকারের একাধিক ডেটাবেজে ভিন্নভাবে সংরক্ষিত থাকে এবং কোনটি নির্ভরযোগ্য মূল উৎস তা নির্ধারিত না থাকে, তাহলে প্রযুক্তিগত সংযোগ বাড়লেও তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা বাড়বে না।
প্রয়োজন জাতীয় এপিআই স্ট্যান্ডার্ডও। সরকারি এপিআই কীভাবে তৈরি, নথিভুক্ত ও সংস্করণ করা হবে, কীভাবে পরিচয় যাচাই ও অনুমোদন হবে, নিরাপত্তার ন্যূনতম শর্ত কী হবে এবং পুরোনো এপিআই কীভাবে ধাপে ধাপে বন্ধ করা হবে—এসবের অভিন্ন নিয়ম থাকা দরকার। একটি কেন্দ্রীয় এপিআই ক্যাটালগ থাকলে কোন প্রতিষ্ঠানের কাছে কোন তথ্য বা সেবা পাওয়া যায়, তা অন্য প্রতিষ্ঠান সহজে জানতে পারবে।