
১. জাতীয় প্রবীণ নীতিমালা ২০১৩ ও প্রাসঙ্গিক জাতীয় স্বাস্থ্য নীতিসহ অন্যান্য কর্মকৌশল টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন ও পরবর্তী পরিস্থিতির বিবেচনায় হালনাগাদ ও শক্তিশালী করা- প্রবীণদের স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা, আয়, আবাসন, পরিবহন ও অধিকারকে সমন্বিত করে দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা।
২. স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে প্রবীণ বা বয়স্ক বান্ধব করতে হবে। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় বার্ধক্যজনিত স্বাস্থ্যসেবা অন্তর্ভুক্ত করা এবং প্রবীণদের জন্য নিয়মিত রোগ শনাক্তকরণ পরীক্ষা, অসংক্রামক রোগ ব্যবস্থাপনা, পুনর্বাসন, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রশমনমূলক সেবা সম্প্রসারণ করা।
৩. দীর্ঘমেয়াদি পরিচর্যা ব্যবস্থা গড়ে তোলা- দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতা, ডিমেনশিয়া, প্রতিবন্ধিতা ও দৈনন্দিন কাজে সহায়তা প্রয়োজন এমন প্রবীণদের জন্য পরিবারভিত্তিক, কমিউনিটিভিত্তিক এবং প্রয়োজন অনুযায়ী প্রাতিষ্ঠানিক যত্ন-এর সমন্বিত ব্যবস্থা তৈরি করা।
৪. সামাজিক নিরাপত্তা অধিকতর কার্যকর করা। বয়স্ক ভাতা ও অন্যান্য সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সেবার আওতাভুক্তি, পর্যাপ্ততা ও সেবা সরবরাহ ব্যবস্থা উন্নত করা এবং সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ প্রবীণদের অগ্রাধিকার দেওয়া।
৫. প্রবীণদের অর্থনৈতিক অংশগ্রহণের সুযোগ রাখা- যারা সক্ষম ও আগ্রহী, তাদের জন্য নমনীয় কর্মসংস্থান, খণ্ডকালীন কাজ, উদ্যোক্তা কার্যক্রম ও পরামর্শসেবাএবং জীবনব্যাপী শিক্ষা -এর সুযোগ সৃষ্টি করা।