• বৃহস্পতি. অক্টো. 1st, 2026

আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কারের মনোনয়ন পেল হ্যালোর ৭ শিশু সাংবাদিক

Bytrendnews

অক্টো. 1, 2026


আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন পেয়েছে শিশু সাংবাদিকতায় বিশ্বের প্রথম বাংলা সাইট–হ্যালো ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সাত শিশু সাংবাদিক।

তারা হল- কাশফিয়া জান্নাত কুহু (১৬), অরণ্য আবীর খান প্রাপ্য (১৬), ফারাবি জাবিন সায়েরী (১৭), জয়া বণিক (১৭), সুদীপ্ত দেবনাথ (১৭), মুশফিকুর রহমান (১৭) এবং জামিউল হাসান আরাফ (১৭)।

সারা বিশ্ব থেকে ২৯৮ জনকে ২০২৬ সালের এ পুরস্কারের জন্য প্রাথমিক মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে হ্যালোর সাত শিশু সাংবাদিকসহ ৪২ জন এবার মনোনয়ন পেয়েছে।

প্রতিবছর শিশুদের অধিকার নিয়ে উল্লেখযোগ্য কাজ করা একজন তরুণকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। ‘শিশুদের নোবেল’ খ্যাত এই পুরস্কার দিয়ে আসছে নেদারল্যান্ডসভিত্তিক সংগঠন ‘কিডস রাইটস’।

এবারের পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন পাওয়া শিশু সাংবাদিক ফারাবি জাবিন সায়েরী ২০২২ সাল থেকে হ্যালোর সঙ্গে যুক্ত। তার গ্রামের বাড়ি শেরপুরে হলেও এখন পড়াশোনার জন্য ঢাকায় থাকছেন।

সায়েরী বলে, “কোভিড মহামারীর সময় বাল্যবিয়ের ঘটনা বেড়ে গেলে ভাবতে শুরু করি সংবাদ প্রতিবেদনের বাইরে আর কী কী করতে পারি। এরপর বাল্যবিয়ে নিয়ে সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে একটি সংগঠন চালু করি।

“সমাজের জন্য কিছু করার প্রেরণা আমি হ্যালো থেকেই পেয়েছি। শিশু সাংবাদিকতা আমাকে অনেক কিছু যেমন শিখিয়েছে, তেমনি সমাজের প্রতি অনেক বেশি দায়বদ্ধতা তৈরি করেছে।”

সিলেটের শিশু সাংবাদিক জামিউল হাসান আরাফ বলেন, “হ্যালোতে শিশু সাংবাদিকতা করতে গিয়ে শিশুদের দুঃখ-কষ্ট আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি। সেখান থেকে সিদ্ধান্ত নিয়েছি শিশুদের জন্য আমি কাজ করব।”

২০২০ সালে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ‘আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কার’ পান নড়াইলের সাদাত রহমান। ‘সাইবার বুলিং’ থেকে শিশুদের রক্ষায় কাজ করে তিনি পুরস্কার পান।

সাদাত বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “হ্যালোতে ছোটবেলায় কাজ করেছি। মূলত শিশু সাংবাদিকতার মাধ্যমেই শিশু অধিকার নিয়ে কথা বলা কিংবা আওয়াজ তোলা শিখেছি। এখন ‘মুন অ্যালার্টের’ মাধ্যমে আমি শিশুদের জন্যই কাজ করে যাচ্ছি।

“হ্যালোর অনেকেই এবার আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কারের মনোনয়ন পেয়েছে। তাদের প্রত্যেকের জন্য শুভকামনা। পুরস্কার পাওয়া কিংবা না পাওয়া বড় কথা নয়, সামনে এগিয়ে যাওয়াটাই বড় বিষয়। কোনোভাবেই থেমে যাওয়া যাবে না।”

২০০৫ সালে ইতালির রোমে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ীদের এক সম্মেলন থেকে এই পুরস্কার চালু করা হয়। প্রতিবছর একজন নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী পুরস্কারটি হস্তান্তর করেন। এজন্য পুরস্কারটিকে বলে হয়ে থাকে ‘শিশুদের নোবেল’।



Source link

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।