
সরাসরি দলীয় কর্মীরা বা সুবিধাভোগী বুদ্ধিজীবী দল নিশ্চিতভাবে অনেক ইতিবাচক উদাহরণ হাজির করবেন। বাস্তবতা হলো ২০২৪-এর পর বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে ন্যায়বিচার, সম্পদের ন্যায়ানুগ বণ্টন, জনস্বার্থে আইনকানুন-প্রশাসনের সংস্কারের যেসব ক্ষুধা তৈরি হয়েছে, সে ব্যাপারে মনোযোগী না হলে তা দিয়ে বর্তমান রাজনীতি টিকে থাকতে পারবে না। একই কারণে এই রাজনীতি সেসব সংস্কার করতেও ইচ্ছুক নয়।
গুম প্রতিরোধ আইন, মানবাধিকার কমিশন আইন, র্যাব নামের অদলবদল, সংসদে স্থায়ী কমিটি গঠনের ধরন-ধারণ, খসড়া সাইবার আইনের অস্পষ্ট নানান বিপজ্জনক ধারা থেকে ইতিমধ্যে অনেক কিছু স্পষ্ট হয়ে গেছে। এসব প্রতিটি ঘটনা একেকটা বার্তা। এসব বার্তা বাংলাদেশকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতে বারণ করে। একাত্তর বলুন, চব্বিশ বলুন কোনো যুদ্ধের শহীদদের স্বপ্নের সাথি হতে পারছে না রাজনীতি।
এ রকম সময়ে ‘সাধারণ’ মানুষ কী করবে? একটাই উপায় থাকে তার সামনে। একাকী বাঁচার গুহাজীবন খোঁজে তখন তারা। সেটাই চলছে এ মুহূর্তে। লাখ লাখ জনতার ভিড়ের মধ্যে থেকেও সবাই এখন একা একা। চব্বিশের জুলাইয়ের সময়ের সেই ঐকতান নেই কোথাও। চায়ের আড্ডায় ভাগাভাগি করে আশাবাদী হওয়ার মুহূর্তগুলো মিলিয়ে গেছে।