
রিজওয়ানের বক্তব্য, স্বেচ্ছায় ফোন তুলে দেওয়া এবং পরবর্তী সময়ে তদন্তে সহযোগিতার মাধ্যমে তিনি ইতিমধ্যেই তাঁর সহযোগিতার মানসিকতা স্পষ্ট করেছেন। এখন একইভাবে এনসিসিআইএও সহযোগিতা করুক। তদন্তের ধরন জানানো হোক এবং তাঁর মুঠোফোনটি ফেরত দেওয়া হোক—চিঠিতে এমনটাই অনুরোধ করেছেন তিনি।
রিজওয়ানকে ঘিরে এনসিসিআইএর তদন্তের সবশেষ ঘটনা এটি। পাকিস্তানের দ্বিতীয় টেস্টে হারের পর তৈরি হওয়া পরিস্থিতির জেরে রিজওয়ান, ইমাম-উল-হকসহ কয়েকজন ক্রিকেটারকে দ্রুত পাকিস্তানে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
এরপর এনসিসিআইএর দেওয়া প্রশ্নপত্র পূরণ করার পথ বেছে নেন ইমাম। তবে রিজওয়ান আইনজীবীর সহায়তা নেন এবং তদন্তের বিষয়ে সংস্থাটির এখতিয়ার নিয়েই প্রশ্ন তোলেন।
রিজওয়ানের সেই আবেদন শেষ পর্যন্ত লাহোর হাইকোর্টে খারিজ হয়ে যায়। তবে তিনি এখনো আইনজীবীর মাধ্যমে বিষয়টি মোকাবিলা করছেন।