
নির্বাচন কমিশনের ‘ভোট কারচুপি’ নিয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী সবার আগে সরব হয়েছিলেন। কীভাবে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে, কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার শাসক দল বিজেপির সুবিধা করিয়ে দিচ্ছেন, রাহুল সেসব তথ্য আগেই জানিয়েছিলেন। বৈঠকে সদস্যরা বলেন, সর্বভারতীয় ইংরেজি দৈনিক দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস সেই সব অভিযোগই সত্য প্রতিপন্ন করেছে। স্পষ্ট করেছে, ১০ মাস ধরে কমিশনে সব সিদ্ধান্ত কার্যত একজনই গ্রহণ করছিলেন। খাড়গে বৈঠকে বলেন, জ্ঞানেশ কুমার কার্যত শাসক দলের হাতের পুতুলে পরিণত হয়েছিলেন। এই নির্বাচন ব্যবস্থায় ভারতীয় গণতন্ত্র বিপদের মুখে পড়েছে। কংগ্রেস এই অবস্থা থেকে দেশকে উদ্ধারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
দীর্ঘ আলোচনার পর ওয়ার্কিং কমিটি যে প্রস্তাব গ্রহণ করেছে, তাতে বলা হয়েছে সময় নষ্ট না করে অবিলম্বে জ্ঞানেশ কুমারকে পদত্যাগ করতে হবে। সেই সঙ্গে চলমান এসআইআর ব্যবস্থাও অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। প্রস্তাবে বলা হয়, শুধু এসআইআর বাতিলই নয়, যে ১৩ কোটি ৩০ লাখ ভোটারের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, তাঁদের নাম এখনই তালিকায় তুলতে হবে।