
বিদেশভ্রমণের মোট বাজেটের বড় একটি অংশ যাতায়াতে চলে যায়। বিশেষ করে বিমানের টিকিট। ধরুন, ঢাকা থেকে মিসরে যাওয়া-আসার টিকিটে খরচ হলো ৯০ হাজার টাকা। সেখানে পৌঁছানোর পর থাকা-খাওয়া ও ঘোরার খরচ আমাদের দেশের তুলনায় কম। ফলে পুরো ভ্রমণ ব্যয়ের বড় অংশই বিমানভাড়া।
টিকিটের খরচ কমানোর প্রথম উপায় হলো আগে থেকে পরিকল্পনা। বাংলাদেশ থেকে চলাচলকারী বিভিন্ন এয়ারলাইনস সময় সময় বিশেষ অফার দেয়। এয়ারলাইনসগুলোর নিউজলেটার বা প্রচারণামূলক বার্তা সাবস্ক্রাইব করে রাখলে এসব অফারের খবর আগে পাওয়া যায়।
ভ্রমণের তারিখ যত আগে নির্ধারণ করা যায়, ততই টিকিটের বিভিন্ন ভাড়া তুলনা করার সুযোগ থাকে। শেষ মুহূর্তে টিকিট কিনলে ভাড়া বেশি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
ট্রাভেল এজেন্সির পাশাপাশি গোযায়ানের মতো অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সি বা ওটিএর অফারও দেখা যেতে পারে। বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কার্ডে এসব প্ল্যাটফর্মে সময় সময় ছাড় পাওয়া যায়। ট্রিপ ডটকমের মতো আন্তর্জাতিক বুকিং প্ল্যাটফর্মেও বিভিন্ন সময় টিকিটের অফার থাকে। তবে বিদেশি মুদ্রায় লেনদেনের ক্ষেত্রে ব্যাংকের নিয়ম ও বাংলাদেশে প্রযোজ্য বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহারের বিধি আগে জেনে নেওয়া জরুরি। বর্তমানে ৩০০ ডলারের বেশি মূল্যের টিকিট নিতে ব্যাংকের অনুমতি লাগে।