
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে রড, সিমেন্টসহ সব নির্মাণসামগ্রীর দাম বাড়বে। সে ক্ষেত্রে নির্মাণসামগ্রী বিক্রিতে মন্দাভাব আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে বলে মনে করছেন শিল্পকারখানার উদ্যোক্তারা।
বাংলাদেশ স্টিল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব সুমন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের ধারণা, রড উৎপাদনের ব৵য় টনপ্রতি ১,০০০-১,২০০ টাকা বাড়তে পারে।’
নারায়ণগঞ্জ থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে তৈরি পোশাক পরিবহনে প্রতি কাভার্ড ভ্যানে গত সপ্তাহ পর্যন্ত খরচ লাগত ১৫ হাজার টাকা। তবে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পর সেই ব্যয় ১৮ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা হয়ে গেছে।
এমন তথ্য দিয়ে নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, কাঁচামাল আমদানি ও তৈরি পোশাক রপ্তানিতে খরচ বাড়বে। পাশাপাশি লোডশেডিংয়ের সময়ে উৎপাদন চালানোর জন্য জেনারেটর তেল কিনতে বাড়তি অর্থ গুনতে হবে। তা ছাড়া জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে নিত্যপণ্যের দামও বাড়বে। এতে শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হবে। তাঁরা একপর্যায়ে মজুরি বাড়ানোর দাবি করতে পারেন। সব মিলিয়ে তৈরি পোশাকশিল্পের জন্য কঠিন পরিস্থিতি আসছে।