
শুরুতে ৮ থেকে ১০ জন কৃষকের দোকান দিয়ে বাজার শুরু। এখন ২৫ থেকে ৩০ জন আসেন। সাধারণ সবজি, অপ্রচলিত সবজি থেকে শুরু করে এখানে এখন নানা জাতের ফলেরও সমারোহ চোখে পড়ে। কলা, পেঁপে, তরমুজের বাইরে আছে হানি ডিউ, রক মেলন (শাম্মাম), রেড ও ইয়েলো তরমুজ ও স্ট্রবেরি। এ বাজারে নারী বিক্রেতাও আছেন কয়েকজন। তাঁরা উদ্যোক্তা হিসেবেও সুনাম কুড়িয়েছেন। তাঁদের একজন রাজিয়া সুলতানা। তিনি রাইয়ান অ্যাগ্রোলিংক নামের একটি কৃষি বিপণন প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার। রাজিয়া সুলতানা বলছিলেন, ‘এ বাজার আমাদের জন্য একটি বড় জানালা খুলে দিয়েছে।’
এ বাজারে শুধু ঢাকার আশপাশের নয়, সেই পার্বত্য জেলা রাঙামাটির লংগদু থেকে জুমের (পাহাড়ের প্রচলিত চাষ পদ্ধতি) ফসল নিয়ে আসেন দুই চাকমা যুবক। জুমের বিন্নি চাল, মরিচ, মারফা (বড় শসা), পাহাড়ি সূর্যমুখী কলাসহ নানান পণ্যের পসরা নিয়ে বসেন তাঁরা।
বিচিত্র ফসলের এ বাজারের প্রসার যে দিন দিন বাড়ছে, তা বোঝা গেল ধানমন্ডির বাসিন্দা প্রকৌশলী জুলফিকার আলীর কথায়। বললেন, ‘এ বাজারে শুরু থেকেই আসি। এখন প্রচুর ভিড়। এখানকার সবজি নিরাপদ বলেই মনে হয়। আর এখানে দামটা কিন্তু মোটেও বেশি না।’
অর্গানিক বা নিরাপদ বলে তকমা লাগিয়ে বেশি দামে বিক্রির প্রবণতা এ বাজারের কৃষকদের নেই, তা স্বীকার করলেন বনানী থেকে আসা ক্রেতা ফয়সাল হোসেন। তিনি জানান, একেবারে গাড়ি ভর্তি করে সপ্তাহের বাজার সারেন এখানে।
সবজি-ফল ছাড়াও বাজারে পাওয়া যায় ঘরে বানানো হরেক রকমের আচার। মৎস্য অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমাণ মাছের দোকান এ বাজারে নতুন সংযোজন।