
সবুজ শাকসবজি: বেশি করে সবুজ শাকসবজি খান। ভিটামিনসমৃদ্ধ এসবে ক্যালরি কম। তাই ওজন হ্রাস ও পুষ্টির জন্য আদর্শ। সবুজ শাকসবজি, যেমন পুঁই, পালং প্রভৃতি ভিটামিন বির দুর্দান্ত উৎস।
লিন প্রোটিন: হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা করতে ও ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। লিন প্রোটিন হিসেবে মুরগি, টার্কি, টফু, স্যামন, চিংড়ি, টুনা, বিনস, প্রভৃতি খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন।
উপকারী চর্বি: সব চর্বি (ফ্যাট) কিন্তু শরীরের জন্য ক্ষতিকারক নয়। এমন অনেক ‘স্বাস্থ্যকর চর্বি’ (হেলদি ফ্যাট) আছে, যেগুলো ডায়েটে রাখা যায়। যেমন অ্যাভোকাডো। হেলদি ফ্যাট এসেনশিয়াল ফ্যাটি অ্যাসিডের উৎস। বাদাম ও বীজ স্বাস্থ্যকর চর্বি ও প্রোটিনের খুব ভালো উৎস।
অ্যান্টি–অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাদ্য: এ তালিকায় রয়েছে স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি, ওটস, গম, কাঠবাদাম, আখরোট এবং কালে, পালংশাক প্রভৃতি। অ্যান্টি–অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাবার দ্বারা পিসিওএসের প্রদাহ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
ফাইবারসমৃদ্ধ খাদ্য: পিসিওএস হলে ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া অত্যন্ত জরুরি। ওটস, ব্রাউন রাইস, ব্ল্যাক বিনস, মসুর ডাল, সানফ্লাওয়ার সিড, ফ্ল্যাক্স সিড, চিয়া সিড প্রভৃতি ফাইবারের দুর্দান্ত উৎস। ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার শরীরের ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ।