
পাশাপাশি কম্পিউটার যন্ত্রাংশ উৎপাদন, ক্রয়-বিক্রয়সহ ডিজিটাল পণ্য বিক্রি করবে। ভিডিও চ্যাটিংয়ের মাধ্যমে ভার্চ্যুয়াল মুদ্রায় ‘ডায়মন্ড’ কিংবা ‘বিনস’–এর মাধ্যমে অর্থ লেনদেন করতে পারবে না।
মামলার এজাহারের তথ্য বলছে, বিগো বাংলা লিমিটেড অর্থ পাচারের জন্য মনসুন হোল্ডিং লিমিটেডের গেটওয়ে সূর্যমুখী লিমিটেড থেকে অর্থ গ্রহণ করেছে। মনসুন হোল্ডিং কিংবা সূর্যমুখী নামক প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটর হিসেবে নিবন্ধিত নয়।
বাংলাদেশে বিগো বাংলার দুটি ব্যাংক হিসাবের তথ্য মিলেছে। ২০২০ সালের ১৫ জানুয়ারি থেকে গত বছরের ১৮ জুলাই পর্যন্ত ওই দুটি হিসাবে জমা হয় ৪৩ কোটি টাকা। উত্তোলন করা হয়েছে ১৪ কোটি টাকা। জমা রয়েছে আরও ২৯ কোটি টাকা। আদালতের আদেশে ওই টাকা অবরুদ্ধ করা হয়েছে।
মামলার কাগজপত্রের তথ্য বলছে, এস এম নাজমুল হক ভার্চ্যুয়াল মুদ্রা ডায়মন্ড বিক্রির বাংলাদেশের প্রতিনিধি। বিগো লাইভের গ্রাহকেরা নাজমুল হকের কাছ থেকে ভার্চ্যুয়াল মুদ্রা ডায়মন্ড কিনতেন।