• রবি. সেপ্টে. 20th, 2026

গবেষণা ও প্রকাশনায় বাংলাদেশের পিছিয়ে পড়ার দায় কার?

Bytrendnews

সেপ্টে. 20, 2026


চতুর্থত, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবসম্পদ নীতিতে অধ্যাপকের প্রকাশনার বাধ্যবাধকতা না থাকায় তাঁরা গবেষণায় মনোযোগ দেন না (কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া)। অভিজ্ঞতা ও বিষয়ভিত্তিক জ্ঞানে অধ্যাপকেরা শীর্ষে অবস্থান করলেও পরিকল্পনাহীনতার কারণে তাঁরা গবেষণায় মনোযোগ দেন না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদেরকেও নির্দিষ্টসংখ্যক প্রকাশনা (যেমন প্রতি ৩ বছরে ৬টি প্রকাশনা অন্তত কিউ-৩ এবং কিউ-৪ মানের) প্রকাশ করার বিধান রাখা জরুরি। এতে উদীয়মান শিক্ষকেরাও লাভবান হবেন—যৌথ প্রযোজনায় তাঁদের অধ্যাপকদের সঙ্গে প্রকাশনা করতে পারবেন, যেটা জ্ঞানের বিকাশ বা ‘নলেজ ট্রান্সফার’ এবং বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

পঞ্চমত, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টা হলো কী গুণমানের প্রকাশনাকে শিক্ষকদের পদোন্নতির মান হিসেবে মূল্যায়ন করব? উন্নত বিশ্বে ওয়েব-অব-সাই, এবিএস, স্কিমাগো, স্কোপাস, এবং এবিডিসি—ইত্যাদির মতো ডেটাবেজকে তাদের শিক্ষকদের গবেষণার তুলনামূলক নির্ণায়ক হিসেবে দেখে। স্বীকৃত জার্নালে প্রকাশনা থাকলেই হবে, এমন প্রতিযোগিতাহীন অসম প্রকাশনানীতি অবিবেচকের কাজ। মানহীন জার্নালের তামাশাপূর্ণ গবেষণাপত্রকে স্বীকৃত জার্নালের তকমা দিয়ে পদোন্নতির সহজ ব্যবস্থায় মানহীন জার্নালই সর্বজনীন হিসেবে উঠে আসবে। কার্যকর ও প্রভাব বিস্তারকারী মৌলিক গবেষণা এবং অকার্যরকর গুণ–বিবর্জিত গবেষণাকে যখন এককাতারে ফেলা হবে, তখন উদীয়মান তরুণ গবেষক মৌলিক গবেষণার প্রতি আগ্রহ হারাবেন অথবা বিদেশে যেখানে তাঁর গবেষণার প্রকৃত মূল্যায়ন হয়, সেখানে পালানোর পথ খুঁজবেন।

ষষ্ঠত, পিএইচডিতে প্লেজিয়ারিজম (চৌর্যবৃত্তি)–এর অসদ্ব্যবহার থেকে মুক্তির জন্য রেফারেন্সের সঠিক প্রয়োগ, সুপারভাইজর, কমিটির সঙ্গে নিয়মিত মিটিং এবং প্লেজিয়ারিজম সফটওয়্যারের বাধ্যবাধকতা অত্যাবশ্যক।



Source link

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।