
হকি, ফুটবল, ক্রিকেট, অ্যাথলেটিকস—চার খেলাতেই মাঠে ছিলেন বশীর আহমেদ। শুধু খেলেননি, চার খেলাতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৫৯-৬০ মৌসুমে ফুটবলে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ব্লু’ সম্মাননা। পরে খেলেছেন পাকিস্তান জাতীয় হকি দলে। ১৯৮০ সালে পেয়েছেন জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার। বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিবও ছিলেন।
‘ক্রাউন সিমেন্ট অভিজ্ঞতার আলো’ শীর্ষক নিয়মিত সাক্ষাৎকারের অংশ হিসেবে আমরা মুখোমুখি হয়েছিলাম তাঁর। শোনা হলো তাঁর গল্প।
১৯৪১ সালে পুরান ঢাকার মাহুতটুলীতে বশীর আহমেদের জন্ম। তাঁর খেলোয়াড় হয়ে ওঠার জায়গা মাহুতটুলী ও আরমানিটোলা স্কুল। ছোটবেলা থেকেই স্কুলের মাঠে তাঁর দিন কাটত। ভোরে মাঠে গিয়ে ১৫-২০ চক্কর দৌড়াতেন। অ্যাথলেটিকসের পাশাপাশি হকি, ফুটবল ও ক্রিকেট খেলতেন।
আরমানিটোলা স্কুলের চারটি হাউসের মধ্যে তিনি ছিলেন ওয়েস্ট হাউসে। চার হাউসের প্রতিযোগিতাই তাঁকে প্রতিযোগিতার মানসিকতা তৈরি করে দেয়। তাঁর কথায়, ‘কম্পিটিশন করার যে একটা মোহ কিংবা কম্পিটিশন করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার যে একটা জেদ, ওটা ওইখান থেকেই তৈরি হয়েছে।’