
সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান বলেন, মাহবুব উল্লাহ এক গভীর দার্শনিক প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন। বিষয়টা হলো, বাংলাদেশের অপরিণত পুঁজিবাদী কাঠামোয়, যেখানে রাষ্ট্র ও গোষ্ঠীস্বার্থ পরস্পরের সঙ্গে জড়িয়ে আছে, সেখানে প্রকৃত ব্যাংকিং নৈতিকতা বাস্তবসম্মত কি না। এ সংশয় অমূলক নয়।
গভর্নর বলেন, ‘রাষ্ট্র ও গোষ্ঠীস্বার্থের সেই বন্ধন ভাঙার প্রথম পদক্ষেপই হলো একক পরিবার বা গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণ সীমিত করা, রাজনৈতিক ব্যক্তিদের পর্ষদ থেকে সরিয়ে দেওয়া ও অর্জিত সম্পদের প্রকৃত মালিকানা আইনিভাবে প্রমাণ করা। এসব কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। ব্যাংক কোনো ব্যক্তির সম্পত্তি নয়; বরং তা সমাজ ও রাষ্ট্রের অগণিত আমানতকারীর সম্পদ, এ দর্শন বাস্তবায়নে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’
বক্তারা বলেন, ব্যাংকিং খাতে নৈতিকতা প্রতিষ্ঠার জন্য শুধু নিয়মকানুন নয়, রাষ্ট্র ও প্রভাবশালী গোষ্ঠীর যোগসূত্র ভাঙতে হবে। ব্যাংককে ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণমুক্ত করে আমানতকারীর স্বার্থ, আইনের শাসন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করাই প্রধান কাজ।