
‘সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোনমি, স্পেস সায়েন্সেস অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিকস’—নাম শুনেই বোঝা যায়, এর সঙ্গে তিনটি বিষয় যুক্ত। জ্যোতির্বিজ্ঞান, মহাকাশবিজ্ঞান ও জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞান। তিনটির মধ্যে কোনটি নিয়ে কাজ হয় বেশি? আসাদ বলেন, ‘অ্যাস্ট্রোনমি ও অ্যাস্ট্রোফিজিকসই বেশি। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে এ দুটি মূলত একই। যিনি জ্যোতির্বিজ্ঞানী, তিনিই জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞানী। তবে জ্যোতির্বিজ্ঞান ও জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞান কমিউনিটি এবং স্পেস অ্যান্ড প্লানেটরি সায়েন্স (এসপিএস) কমিউনিটি আলাদা। এ দুটি কমিউনিটির একটা যৌথ জায়গা করাও ছিল আমাদের অন্যতম উদ্দেশ্য।’
জ্যোতির্বিজ্ঞান, তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞান, কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং তড়িৎ প্রকৌশল—চারটি বিষয়ের বিশেষজ্ঞ নিয়ে সেন্টারটি পরিচালিত হয়। আইইউবিতে কাসার অন্য দুজন মূল সদস্য (কোর মেম্বার) হলেন গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজ, রিসার্চ অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিলেশনস অফিসের পরিচালক ও অধ্যাপক এম আরশাদ মোমেন এবং তড়িৎ ও ইলেকট্রনিকস প্রকৌশল বিভাগের প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক মুস্তাফা হাবিব চৌধুরী। সহযোগী সদস্য হিসেবে যুক্ত আছেন বেশ কয়েকজন প্রবাসী বাংলাদেশি জ্যোতির্বিজ্ঞানী। যেমন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েলসলি কলেজের সহকারী অধ্যাপক লামীয়া আশরাফ মওলা, আমেরিকান পাবলিক ইউনিভার্সিটি সিস্টেমের শিক্ষক ও গবেষক সৈয়দ আশরাফ উদ্দিন, শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের পোস্টডক্টরাল গবেষক আনোয়ার জামান।
এই গবেষকদের সঙ্গে দেশের শিক্ষার্থীরাও যুক্ত হতে পারবেন। তহবিল থাকা সাপেক্ষে পাবেন আর্থিক সুবিধাও।