
হ্যালি-৬ গবেষণা স্টেশনে কাঠমিস্ত্রি হিসেবে ছয় বছর ধরে কাজ করছেন ফিল কুলম্যান। তিনি বলেন, ‘এখানে কাজ করতে হলে অভিযোজন ক্ষমতা ও দলগতভাবে আগ্রহ প্রয়োজন। এটি কেবল একটি স্টেশন নয়, এটি আমাদের একটি পরিবার।’
অ্যান্টার্কটিকার জীবন কেমন, তা নিয়ে টিকটকে নিয়মিত ভিডিও পোস্ট করেন ম্যাটি জর্ডান। তিনি জানান, সেখানে বাইরে খাবার বা পানীয় রাখা অসম্ভব, কারণ মুহূর্তেই তা পাথরের মতো জমে যায়। মাইনাস ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে তাপমাত্রা নামলে অন্তত পাঁচ স্তরের বিশেষ পোশাক পরতে হয়। এর মধ্যে মেরিনো উলের বেস লেয়ার এবং বিশেষ চশমা থাকা বাধ্যতামূলক। এই বৈরী পরিবেশে কাজ করা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য চ্যালেঞ্জিং হলেও এটি পৃথিবীর অন্যতম রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা। আগ্রহী প্রার্থীরা ব্রিটিশ অ্যান্টার্কটিক সার্ভের নিজস্ব ওয়েবসাইট থেকে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন।
সূত্র: ডেইলি মেইল