
মুজা: তুমি কীভাবে মিউজিক তৈরি করো?
সঞ্চয়: আমার একক কোনো নিয়ম নেই। যখন অনুপ্রাণিত থাকি, তখন সব একসঙ্গে চলতে থাকে। তবে সাধারণত আমি আগে কর্ড প্রগ্রেশন তৈরি করি। তারপর তার ওপর সুর বসাই। পরে কথা লিখি। সবশেষে আসে প্রোডাকশন।
মুজা: কারও সঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রে তোমার কি কোনো নীতি আছে?
সঞ্চয়: আগে তো আমি সরাসরি মেসেজ পাঠিয়ে জানাতাম যে আমি তোমার সঙ্গে কাজ করতে চাই। আমার শিল্পী বাছাই করার অপশন ছিল না। তবে এখন শিখেছি, কারও সঙ্গে গান করার আগে তার সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানো জরুরি। শুধু ডিএম করে স্টুডিওতে ঢুকে পড়লে অনেক সময় কাজটা ‘জোর করে করা’ মনে হয়। আর কাজেও সেটার ছাপ থাকে; কিন্তু আগে বন্ধুত্ব হলে কাজ অনেক সহজ হয়। তুমি তাকে বোঝো, সে–ও তোমাকে বোঝে। তখন কাজটা সহজ হয়ে যায়; আর তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো কাজটা ভালো হয়।
মুজা: তুমি সবচেয়ে অদ্ভুত কোন বস্তু দিয়ে মিউজিক বানিয়েছ?
সঞ্জয়: আমি গাজরে সমান দূরত্বে কয়েকটা ছিদ্র করে সেটিকে পিকোলোর (পশ্চিমা কনসার্ট ফ্লুটের একটি ছোট সংস্করণ) মতো বাজিয়েছিলাম। সুন্দর আওয়াজ হয়।
মুজা: তোমার প্রিয় বাংলা ‘স্ল্যাং’ কী?
সঞ্জয়: ‘প্যারা নাই’। বাংলাদেশে গিয়ে এই শব্দ শিখেছি। এর মানে হলো ‘কোনো সমস্যা নেই’। এটা খুবই ছোট, মজার আর খুবই ব্যবহারিক।
মুজা: ভারতীয় নাকি বাংলাদেশি খাবার?
সঞ্জয়: আমি দুটিই সমান ভালোবাসি। উত্তর ভারতের খাবার যেমন ভালো লাগে, তেমনি বাঙালি খাবারও। বাংলাদেশের বিরিয়ানি আমার খুব পছন্দ।
মুজা: আর ঢাকার ‘হাজীর বিরিয়ানি’ তো একেবারে আলাদা। শর্ষের তেল ব্যবহার করার কারণে এর স্বাদই অন্য রকম। আচ্ছা বলো, যদি সংগীতশিল্পী না হতে তাহলে কী হতে?
সঞ্জয়: পাইলট হতাম। আমি সারা দিন প্লেন নিয়ে ভিডিও দেখি।