• মঙ্গল. সেপ্টে. 15th, 2026

নেত্রকোনার হাওরে বোরো ধানে কৃষকের স্বস্তি, আছে শঙ্কাও

Bytrendnews

সেপ্টে. 15, 2026


নেত্রকোনার হাওরসহ নিম্নাঞ্চলে এখন মাঠে মাঠে দুলছে সোনালি ধানের শিষ। কাঙ্ক্ষিত ফলনের আশায় দিগন্তজোড়া বিস্তীর্ণ জমিতে বাতাসের সঙ্গে পাকা বোরো ধানের ঢেউ দেখে কৃষকের মুখে স্বস্তির হাসি। তবে সেই হাসির আড়ালে লুকিয়ে আছে কিছু শঙ্কাও। এবার জ্বালানি তেলের সংকটের পাশাপাশি কৃষকদের আশঙ্কা—হঠাৎ ভারী বৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসল ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।

কোনো কোনো হাওরপারের মানুষের ফসল হারানোর করুণ গল্প আছে। এরই মধ্যে অতিবৃষ্টিতে কলমাকান্দার গুড়াডোবা, মেদাবিল; মদনের গোবিন্দশ্রী, উচিতপুর; মোহনগঞ্জের ডিঙাপোতা; খালিয়াজুরির কীর্তনখোলা, নন্দের পেটনা, লক্ষ্মীপুর, চুনাই, কাটকাইলেরকান্দা, বৈলং, লেপসাই, চৈতারাসহ বিভিন্ন হাওরের নিচু ধানখেতে জমে থাকা পানিতে প্রায় দুই হাজার হেক্টর জমির আধা পাকা বোরো ধান নষ্ট হয়েছে।

শুক্র ও শনিবার খালিয়াজুরি, মদন ও মোহনগঞ্জের বিভিন্ন হাওর ঘুরে দেখা গেছে, কিষান-কিষানিদের বিশাল কর্মযজ্ঞ চলছে। কোনো কোনো খেতে ধান আধা পাকা থাকলেও বেশির ভাগ খেতেই পাকা ধান বাতাসে দুলছে। এসব ধান কাটার ধুম পড়েছে। হাওরে জিরাতি (অস্থায়ী ঘর) তৈরি করে ধান কাটা হচ্ছে। একদিকে শ্রমিকের পাশাপাশি যন্ত্র দিয়ে ধান কাটা হচ্ছে। অন্যদিকে একদল শ্রমিক ধানের বোঝা মাথায় করে এনে সড়কের পাশে স্তূপ করে রাখছেন। কেউ যন্ত্রের সাহায্যে মাড়াই করা ধান স্থানীয় মহাজনদের কাছে বিক্রি করে দিচ্ছেন। এসব ধান ট্রাক, লরি, টমটম ও ইজিবাইক দিয়ে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কেউ আবার কাটা ধানের আঁটি আঙিনায় এনে মেশিন দিয়ে মাড়াই করছেন। জমির পাশে বা বাড়ির সামনে ধান সেদ্ধ করা ও শুকানোর জন্য জায়গাও তৈরি করছেন তাঁরা।



Source link

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।