
এবারের উন্মুক্ত প্রতিযোগিতায় নড়াইল থেকে এসেছেন মাত্র দুজন পুরুষ ও একজন নারী খেলোয়াড়। এর মধ্যে একা হোটেলে থাকা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ায় নারী খেলোয়াড়কে ফেডারেশনের ক্যাম্পে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। নড়াইলের খেলোয়াড় দাহির সুলতান বিপ্লব বলেন, ‘আমাদের অনেকে বিকেএসপিতে চলে যাওয়ায় খেলোয়াড়-সংকট দেখা দিয়েছে (বিকেএসপির বর্তমানে ৪২ জন টিটি খেলোয়াড়ের ৮ জন নড়াইলের) জেলায় গোটা বিশেক খেলোয়াড় আছেন। শহরও আমি একাই প্রশিক্ষণ দিই।’
একসময়ের আরেক টিটি-চর্চা কেন্দ্র উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুর থেকে প্রতিযোগিতায় মাত্র একজন খেলোয়াড় এসেছেন। কুষ্টিয়া থেকে আসা অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক নাফিউল ইসলাম জানান, এসএসসিতে দুজন জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীকে তিনি প্রতিযোগিতায় নিয়ে এসেছেন, তা-ও তারা মূলত ঢাকায় এসেছে ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার উদ্দেশে। গাইবান্ধা থেকে এসেছে একজন। তবে আশা দেখাচ্ছে কুমিল্লার লালপুর নজরুল ইসলাম উচ্চবিদ্যালয়। ১০ জন খুদে খেলোয়াড় (৫ জন ছেলে ও ৫ জন মেয়ে) এসেছে এই স্কুলের। রংপুরের মতো লালপুরও এখন নতুন স্বপ্ন দেখাচ্ছে দেশের টিটির অঙ্গনকে।