
আয়োজকেরা জানান, দুই মাস ধরে টেলিভিশন, রেডিও, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন ও মুদ্রিত সংবাদপত্র এবং গুগল বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রচারণা চালানো হবে। এ জন্য ভিডিও ও অডিও বিজ্ঞাপন, স্থিরচিত্র এবং জনসচেতনতামূলক অন্যান্য উপকরণ ব্যবহার করা হবে। অংশীদার প্রতিষ্ঠানগুলোর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এসব উপকরণ প্রচার করা হবে।
প্রচারণার অন্যতম লক্ষ্য হলো সাধারণভাবে ব্যবহৃত প্যাকেটজাত খাবার ও পানীয়তে অতিরিক্ত চিনি, লবণ ও সম্পৃক্ত চর্বির উপস্থিতি সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা। পাশাপাশি প্যাকেটজাত খাদ্য ও পানীয়র মোড়কের সামনের অংশে সতর্কতামূলক লেবেল চালুর জন্য প্রয়োজনীয় প্রবিধানমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সরকারকে সহায়তা করা।