
প্রথম আলো: জলাবদ্ধতা, তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও উপযোগ সেবার চাপ—ঢাকার ভবিষ্যৎ আবাসনে এসব ঝুঁকি মোকাবিলায় কী প্রস্তুতি নিচ্ছেন?
আবদুর রহমান: জলাবদ্ধতা নিরসনে বিধিমালা অনুযায়ী প্লটের একটি অংশ উন্মুক্ত রাখা জরুরি, যাতে বৃষ্টির পানি মাটিতে শোষিত হতে পারে। আমরা বাণিজ্যিক স্বার্থের চেয়ে পরিবেশকে প্রাধান্য দিয়ে অনেক প্রকল্পে অতিরিক্ত পার্কিং না করে মাটি উন্মুক্ত রাখি। বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি) স্থাপন করছি। ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে ভবন এমনভাবে নকশা করি, যেন পর্যাপ্ত আলো-বাতাস পেলে এসির নির্ভরতা কমে। তা ছাড়া পরিবেশবান্ধব ও তাপপ্রতিরোধী ব্লক ব্যবহার করছি।
প্রথম আলো: বর্তমানে আপনারা কোন শ্রেণির মানুষের জন্য ফ্ল্যাট নির্মাণ করছেন এবং ক্রেতাদের চাহিদায় কী পরিবর্তন দেখছেন?
আবদুর রহমান: একক পরিবার বাড়ায় এখন মানুষ কম রক্ষণাবেক্ষণযোগ্য ও কম্প্যাক্ট (৯০০-১২০০ বর্গফুট) ফ্ল্যাট পছন্দ করছেন। ক্রেতারা এখন ওপেন কিচেন, ফ্লেক্সিবল ফার্নিচার এবং ভবনের ভেতরে জিম, রানিং ট্র্যাক ও কমিউনিটি স্পেসের মতো যৌথ সুবিধা চান। আমরা এসব আধুনিক চাহিদাকে প্রাধান্য দিয়ে ফ্ল্যাট নির্মাণ করছি।