
শেষজীবনে রাজনীতি থেকে দূরে ছিলেন মার্গারেট থ্যাচার। দুটি স্মৃতিকথা লিখেছেন। বিক্রিও হয়েছে বেশ। একটির নাম ‘দ্য ডাউনিং স্ট্রিট ইয়ার্স’। এটা ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত হয়। অন্যটি ‘দ্য পাথ টু পাওয়ার’। এটা প্রকাশিত হয় ১৯৯৫ সালে।
যুক্তরাজ্যে ১৯৯২ সালে মার্গারেট থ্যাচারকে রাজকীয় ব্যারোনেস খেতাব দেওয়া হয়।
২০০৩ সালের জুনে স্বামী ডেনিস থ্যাচারকে হারান মার্গারেট থ্যাচার। বিভিন্ন জায়গায় বক্তৃতা দিয়ে সময় কাটছিল তাঁর। বয়স হওয়ায় নানা অসুখ বেঁধেছিল শরীরে।
২০১৩ সালের ৮ এপ্রিল লন্ডনে মারা যান মার্গারেট থ্যাচার। বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। সেন্ট পল’স ক্যাথেড্রালে তাঁকে সমাহিত করা হয়। রানি এলিজাবেথসহ দেশ–বিদেশের বহু রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং গণ্যমান্য ব্যক্তি তাঁর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিয়েছিলেন।
কঠোর রাজনৈতিক মনোভাবের পাশাপাশি নিজের অনন্য স্টাইলের জন্যও খ্যাতি ছিল মার্গারেট থ্যাচারের। বিশেষ করে চুলের স্টাইল নিয়ে। আকর্ষণীয় কেশরাজির জন্যও যথেষ্ট পরিশ্রম করেছেন তিনি। ব্রিটিশ ন্যাশনাল আর্কাইভ থ্যাচারের ১৯৮৪ সালের সাক্ষাৎসূচি প্রকাশ করেছে। তাতে দেখা গেছে, ওই বছর থ্যাচার ১১৮ বার চুল ছাঁটেন। গড়ে প্রায় প্রতি তিন দিনে একবার!
তথ্যসূত্র: বিবিসি, দ্য গার্ডিয়ান, রয়টার্স, ব্রিটানিকা, মার্গারেট থ্যাচার ফাউন্ডেশন, গভডটইউকে এবং মার্গারেট থ্যাচার সেন্টারের ওয়েবসাইট।
অনিন্দ্য সাইমুম: প্রথম আলোর সহসম্পাদক
ইমেইল: [email protected]