
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পোর্টেবল (বহনযোগ্য) এক্স–রে মেশিনটি প্রায় আট মাস আগে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি পুড়িয়ে দিয়ে যান। এর পর থেকে এক্স-রে মেশিন ওই অবস্থায় পড়ে রয়েছে। মেরামতও করা হয়নি, নতুন কেনাও হয়নি। ফলে বর্তমানে রোগীদের বেসরকারি হাসপাতাল থেকে এক্স-রে মেশিন ভাড়া করে নিয়ে আসতে হয়। তাতে খরচ পড়ে হাসপাতালের চেয়ে পাঁচ থেকে সাত গুণ বেশি।
পুলিশ বলছে, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে এক্স–রে মেশিনে আগুন দেওয়া ব্যক্তিকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, এক্স–রে মেশিনটি মেরামত করার জন্য ন্যাশনাল ইলেকট্রো-মেডিক্যাল ইকুইপমেন্ট মেইনটেন্যান্স ওয়ার্কশপকে (নিমিউ) একাধিকবার চিঠি দেওয়া হয়েছে। তারা সাড়া দেয়নি।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, যেসব মুমূর্ষু রোগীকে হাসপাতালের রেডিওলজি বিভাগে এক্স–রে করার জন্য নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয় না, তাদের জন্য পোর্টেবল এক্স–রে ওয়ার্ডে নিয়ে এসে এক্স–রে করা হয়। এ জন্য হাসপাতালে দুটি পোর্টেবল এক্স–রে ছিল। একটি পুরোনো মডেলের। আগেই নষ্ট হয়ে রয়েছে। আরেকটি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কোনো পোর্টেবল এক্স-রে মেশিন নেই।